সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে শুকনো মরিচ আমদানি। গত অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে মসলাপণ্যটির আমদানি বেড়েছে প্রায় চার গুণ। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, দেশের বাজারে চাহিদা বাড়ায় আমদানি বেড়েছে পণ্যটির।
এদিকে ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি বাড়লেও তার কোনো প্রভাব পড়েনি স্থানীয় বাজারে। তাই পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে শুকনো মরিচের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
ভোমরা কাস্টমস হাউজের রাজস্ব বিভাগ থেকে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে শুকনো মরিচ আমদানি হয়েছে ১২ হাজার ১৪৬ টন। যার মূল্য ছিল ৩০৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে মসলাপণ্যটি আমদানি হয় ৩ হাজার ৩৮০ টন। যার মূল্য ছিল ৯৪ কোটি ৫ লাখ টাকা। এ হিসাব অনুযায়ী চলতি অর্থবছর আমদানি বেড়েছে ৮ হাজার ৭৬৬ টন।
এদিকে গতকাল সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজারে খুচরা পর্যায়ে মসলাপণ্য বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরদার স্টোরে শুকনো মরিচ বিক্রি হয় প্রতি কেজি ৪০০ টাকা। দেড় থেকে দুই মাস আগেও একই দামে তা কেনাবেচা হতো।
আমদানি বাড়লেও কেন দাম কমছে না এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আব্দুল হাকিম জানান, আমদানি বাড়লেও পাইকারিতে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। ফলে খুচরা বাজারেও দাম কমেনি।
বড় বাজারের মসলা আড়ত ও পাইকারি বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স মামা-ভাগ্না ভাণ্ডারে গতকাল শুকনো মরিচ ৩৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়, যা দুই মাস আগেও একই ছিল। প্রতিষ্ঠান পরিচালক জহুরুল হক জানান, আমদানি বাড়ার পাশাপাশি খরচও বেড়েছে। তাই পাইকারি বা খুচরা পর্যায়ে দাম কমেনি।
সাতক্ষীরার জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে জানান, সাধারণত যেকোনো পণ্যের আমদানি বাড়লে বাজারে দাম কমে। কিন্তু শুকনো মরিচের দাম কেন কমছে না সেটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।